নিভৃত ছায়া
রাই আর সোহাগকে সামনাসামনি দেখলে কেউ ভাববে না ওরা দুইবোন নয়। দুজনেই দীর্ঘাঙ্গী পাঁচ - চারের কাছাকাছি। মফসসল শহর শিলচরের কলেজে লাক্স হিমানি কান্তা সেন্ট এর ভুরভুরে গন্ধে যতটুকু আকর্ষণীয় থাকা যায়,থেকেছে । এখন পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে কত কী , চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত অপর্যাপ্ত সুন্দরের তেলমশলা। তাই এখনও দুরন্ত সুন্দরী। রাইএর বর দয়াশঙ্কর তো মস্তবড় ডাক্তার। কলকাতা এলে থেকেছে এবার পিয়ারলেসএ, গ্র্যান্ড তাজ বেঙ্গল গেটওয়েতে থাকতে পারে, কিন্তু নিউ মার্কেটের কাছাকাছি থাকা আর আ হে লির খানা এই লোভেই থাকে। সোহাগের ফ্ল্যাট বাইপাসের হাইল্যাণ্ড পার্কে , নিজের গাড়ি ডাটসুন গো আর বর অভিজিতের সাদা গাড়িতে লেখা ভারত সরকার। সাদা গাড়ি নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেতে কোন অসুবিধে হওয়ার কথা নয়, রাই বলল আরো বড় গাড়ি চাই। আসলে এ সব স্নায়ুর যুদ্ধ , অর্থবল যার বেশি সেই জেতে। সোহাগ সবসময় হেরেই যায় দয়াদার কাছে, আবার দয়াশঙ্করই মধ্যস্থতা করে সমাধান দেয়। বলে, -- গাড়িটা প্রধান নয়, মেন হল চালক। আমার অভ্যাস হয়ে গেছে সুলতান, তোম রা ও তো দেখেছ, ভাল লাগবে। ...